কালোজাদু-পৃষ্ঠা-৩২২

         খুব ভালোভাবেই মানে মোবাইলের ভিতর এগুলো জীবন্ত ।মানে মোবাইলের ভিতর উপরোক্ত যন্ত্রগুলোর ফাংশন থাকাতে মানুষ আর আলাদা করে উপরোক্ত যন্ত্র গুলো আলাদা করে বহনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেনা । এখন কেউ যদি বলে হাতঘড়ি, টর্চলাইট ,ক্যলকুলেটর , ক্যমেরা , রেডিও-ক্যাসেট-সিডি-কাগজের বই এগুলো বিলুপ্ত হয়ে গেছে সেটা বলা ভুল হবে । কারন উপরোক্ত যন্ত্রগুলো স্ব শরীরে বিলুপ্ত হয়েছে ঠিকই কিন্তু মোবাইলে সফটওয়্যারের রুপ ধারন করে প্রত্যেকটি যন্ত্রই তাদের অস্তিত্ব ও ব্যবহার ঠিকই টিকিয়ে রেখেছে ।কিন্তু স্মার্ট ফোন আসবার আগে উপরোক্ত যন্ত্র গুলোয় ছিল মানুষের লেটেস্ট আবিষ্কার , তারা ভাবত এর থেকে উন্নত আর কিছু হবেনা , কিন্তু এখন ভাবুন !  অনেকটা শক্তির নিত্যতার সুত্রের মত ব্যাপারটা  ।শক্তির বিনাশ বা ধবংশ নেই , এক রূপ থেকে অন্য রূপে শক্তির পরিবর্তন হয় মাত্র । পুরো জগৎই আপেক্ষিকতা ও এই শক্তির নিত্যতার সুত্র দ্বারা আবর্তিত ও নিয়ন্ত্রিত । এভাবেই মানুষের প্রয়োজনীয়তা , যুগ ভেদে একটা না একটা নতুন সীমাবদ্ধতা  এবং বিজ্ঞান যুগে যুগে রুপ বদল করে একে অপরের পরিপুরক হয়ে চলছে ।যদি বর্তমান যুগের সাথে অন্য যুগের বিজ্ঞানের কোথাও পার্থক্য থাকে সেটা হলো এখনকার বিজ্ঞানের .সুবিধা সবার জন্য উন্মুক্ত ।বিগত যুগ গুলোতে যেটা .সমাজের একেবার নিম্নস্তরের মানুষের ধরাছোয়ার বাইরে ছিলো ।

পুরো বিশ্বজগতে অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যত বা বাস্তব-অবাস্তব বলে কিছু নেই । সবটাই একটা ধাধা , একটা আপেক্ষিকতা ছাড়া আর কিছু নয় । পরম সত্য একমাত্র স্রষ্ঠাই জানেন । আমরা জানি আলোর গতি ১,৮৬,০০০ মাইল প্রতি সেকেন্ডে ।সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ০৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড ।মানে এই মুহূর্তে সূর্য বিস্ফোরিত হলে পৃথিবীর মানুষ সেটা দেখবে ০৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড পর ।মহাকাশে পৃথিবী থেকে এত দূরে তারা আছে যে তার আলো পৃথিবীতে এসে পৌছাতে ০২ হাজার বছর লেগে যেতে পারে

(৩২২)

পরবর্তী পৃষ্ঠা দেখুন

1 ping

  1. […] কালোজাদু-পৃষ্ঠা-৩২২ […]

Comments have been disabled.

error: Content is protected !!

DMCA.com Protection Status